“সাদাকার জায়গা” গ্রুপে জয়েন করুন https://www.facebook.com/groups/sadaqah.charity/

 

“সাদাকার জায়গা” গ্রুপটা শুরু করলাম প্রকৃত সাদাকার জায়গা না পেয়ে। অভাবের কথা শুনিয়ে সাদাকা নেয় এমন না, যারা অসুবিধার কথা বলতে লজ্জা বোধ করেন এমন মানুষদের খুঁজে বের করাই এই গ্রুপের লক্ষ্য। আমার পরিচিত এমন কেউ থাকলে আমি শেয়ার করবো। আপনার থাকলে আপনি শেয়ার করবেন।

আল্লাহ সাদাকার যে খাতগুলো নির্ধারণ করেছেন সেগুলো সব সময় মাথায় রাখবেন

“নিশ্চয় সদাকা হচ্ছে ফকীর ও মিসকীনদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য, আর যাদের অন্তর আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য; (তা বণ্টন করা যায়) দাস আযাদ করার ক্ষেত্রে, ঋণগ্রস্তদের মধ্যে, আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের মধ্যে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত, আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।” -সূরা আত-তাওবা, আয়াত ৬০।

অর্থাৎ,

১) ফকীর

(২) মিসকিন

(৩) সাদাকা আদায়ের জন্য নিযুক্ত কর্মচারী

(৪) যাদের অন্তর ইসলামের পথে আকর্ষণ করা প্রয়োজন

(৫) দাস-মুক্তির জন্যে

(৬) ঋণগ্রস্তদের ঋণ পরিশোধের উদ্দেশ্যে

(৭) আল্লাহর রাস্তায়

(৮) মুসাফিরদের সাহায্যার্থে

আল্লাহ আরও বলছেন,

(সদাকা) সেসব দরিদ্রের জন্য যারা আল্লাহর রাস্তায় আটকে গিয়েছে, তারা যমীনে চলতে পারে নানা চাওয়ার কারণে অনবগত ব্যক্তি তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করেতুমি তাদেরকে চিনতে পারবে তাদের চি‎হ্ন দ্বারাতারা মানুষের কাছে নাছোড় হয়ে চায় না। আর তোমরা যে সম্পদ ব্যয় কর, অবশ্যই আল্লাহ সে সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞানী। সূরা বাকারা, ২৭৩।

মিসকিন কে ?

রসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন; ‘মিসকিন সে ব্যক্তি নয়, যে লোকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ায় এবং এক লোকমা, দুই লোকমা এবং একটি খেজুর, দুইটি খেজুর নিয়ে ফিরে, বরং মিসকিন সে ব্যক্তি, যার এতটুকু অর্থ নেই যে, যদ্ধারা স্বীয় প্রয়োজন মিটাতে পারে এবং তার দরিদ্র অভাব লোকেরা অনুভব করতে পারে যে, তাকে সাদকা দান করবে এবং সেও লোকদের কাছে হাত প্রসারিত করে। (বুখারি, মুসলিম)

এ হাদিসের মাধ্যমে উম্মতকে এই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে যে, তোমাদের উচিত, সবচেয়ে গরিব, দরিদ্র, অভাবীদের খুঁজে বের করা, যারা দারিদ্র্যের কষাঘাতে লিপ্ত, কিন্তু তারা লজ্জা ও ভদ্রতার কারণে নিজেদের অবস্থা লোকদের কাছে প্রকাশ হতে দেয় না, মিসকিনদের ন্যায় চেহারা বানিয়ে ফিরে না এবং অপরের সামনে হাত পাতে না, যেমন আল্লাহ সূরা বাকারার ২৭৩ নং আয়াতে বলেছেন। এমন লোকদের তালাশ করে দান করাতে ছওয়াব বেশি।

মিসকিন ও বিধবার দেখভাল:

রসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন; ‘বিধবা ও মিসকিনদের জন্য প্রচেষ্টাকারী সে ব্যক্তির ন্যায়, যে সারা রাত আল্লাহর দরবারে দাঁড়িয়ে থাকে, কষ্ট অনুভব করে না এবং সে রোজাদারের ন্যায়, যে দিনে আহার করে না, সর্বদা রোজা রাখে।’ (বোখারী, মুসলিম)

এতিমের তত্ত্বাবধানকারী:

সাহল ইবনে সাদ রা: থেকে বর্ণিত যে, নবী সা: বলেছেন : আমি ও এতিমের তত্ত্বাবধানকারী জান্নাতে এভাবে (পাশাপাশি) থাকব। এ কথা বলার সময় তিনি তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল মিলিয়ে ইশারা করে দেখান। (বুখারি)
আমাদের গ্রুপে প্রকৃত মিসকিন(কোরআন, হাদিসের আলোকে), বিধবা, এতিম, মুসাফির, ঋণগ্রস্ত। আল্লাহর রাস্তায়(দিন কায়েম করতে) ইত্যাদি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত খৎ সর্বাধিক গুরুত্ব পাবে ইনশা আল্লাহ।

মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, চিকিৎসা, এতিমখানা ইত্যাদি ক্ষেত্রে দান আপাততঃ গ্রুপে পোস্ট করবো না, এসব ক্ষেত্রে দান করার লোক পর্যাপ্ত পাওয়া যায় আমার জানা মতে।

এই গ্রপে শুধু বঞ্চিত মানুষদের যাদের ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত যে তারা বঞ্চিত, অত্যন্ত অভাবগ্রস্ত, মানুষের কাছে হাত পাততে দ্বিধা বোধ করে তাদের তথ্যই শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইনশা আল্লাহ

ওষুধপত্র ছাড়াই শুধুমাত্র আল্লাহর বিধান মেনে সুস্থ ও ফিট থাকা – ডাক্তার ইসলাম পর্ব ১