সন্দেহাতীত হালালের খোজে

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একজন অনলাইন মার্কেটার। ampleom.com সাইটটি চালাই। বেশ কিছুদিন ধরে হারাম হালাল দ্বন্দ্বের মধ্যে ছিলাম। রাসূলাল্লাহ(সা:) বলেন  

আমার কাজের ক্ষেত্রেও হারাম-হালাল স্পষ্ট কিন্তু সন্দেহ যুক্ত কাজও অনেক। যেমন কোনো বিদেশী কোনো কোম্পানির কাজ করলে তাদের পণ্য হালাল সে ব্যাপারে সন্দেহ থাকে। এক্ষেত্রেও হারাম-হালাল স্পষ্ট কিন্তু হালালেও অনেক সময় হারাম বা সন্দেহ মিশ্রিত।
যেমন, হয়তো একটা ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল পেজ প্রমোশন এর কাজ করছি(আমি মূলত প্রমোশন এর কাজ করি) কিন্তু ওই সাইটে হয়তো বেপর্দা মেয়েদের ছবি বা কোনো ভিডিওতে মিউজিক দেয়া।

বর্তমানে আমি এরকম কোনো অর্ডার নিচ্ছি না আলহামদুলিল্লাহ, কিন্তু কিছু থার্ড পার্টি সাইট যেমন ফাইভার, আপওয়ার্ক এসবে বেশ কিছু অর্ডার ক্যানসেল করার কারণে এখন অর্ডার আসাই প্রায় বন্ধ। কিন্তু কোনো আফসোস নেই আলহামদুলিল্লাহ।

অনলাইনের কাজে বা যে কোনো পেশাতেই সফল হওয়ার উপায় হলো যার যে বিষয়ে আগ্রহ সেই বিষয় নিয়ে কাজ করা। আমার যেহেতু ইসলাম ও শেষ জামানা নিয়ে বর্তমানে সকল আগ্রহ তাই চিন্তা করলাম এই ব্যাপারে ১টা ব্লগ শুরু করি। হালাল ইনকাম হবে, লিখতে গিয়ে দ্বীনের অনেক বিষয় পড়া ও জানা হবে, আল্লাহর বারাকাও পাওয়া যাবে ইনশা আল্লাহ।

শেষ সময়ে হারাম থেকে বেঁচে থাকা

আমার মনে হয় শেষ জামানা বা শেষ সময়ের শুরু হয়ে গেছে। যদিও কেয়ামত কবে হবে, খলিফা মাহাদী, ঈসা আ:, দাজ্জাল কবে আসবে এগুলো শুধু আল্লাহই জানেন কিন্তু এসবের নিদর্শন শুরু হয়ে গেছে।এসবের নির্দিষ্ট দিন-ক্ষণ আল্লাহ আমাদের জানাননি কিন্তু কিছু নিদর্শন জানিয়েছেন তার কারণ সেই একই কারণ হতে পারে যে কারণে তিনি লাইলাতুল কদরের দিন-ক্ষণ আমাদের জানাননি। আল্লাহ এখানে চাচ্ছেন রামাদানে শেষ ১০ দিনের প্রতি দিনই আমরা ইবাদাত করে কাটাই। ঠিক তেমনি শেষ জামানার নিদর্শন গুলো জানিয়ে আল্লাহ চাচ্ছেন আমরা আমাদের ঈমান বাঁচিয়ে চলি। হারাম থেকে বেঁচে থাকি। কারণ এই শেষ জামানায় আমাদের সামনে ভয়ঙ্কর ফিতনা। এসময় মানুষ সকালে মুমিন থাকবে বিকালে কাফের হয়ে যাবে, আপনারা নিশ্চয়ই এই হাদিস জানেন।

কাফের অবস্থায় মৃত্যু হলে তার পরিণতিও কারো অজানা নয়। আর যে হারামের মধ্যে আছে, হারাম থেকে বাঁচার চেষ্টাও নাই, আল্লাহ কি তাকে রক্ষা করবেন?
আমি বলছিনা কেউ হারাম রুজি করলে কাফের হয়ে যায়, কিন্তু কি কারণে, এই শেষ জামানার কোন ফিতনার কারণে, কার কখন ঈমান চলে যাবে আমি, আপনি হয়তো তা টেরও পাবো না।

আবু নুআয়ম (রহঃ) ও মাহমুদ (রহঃ) … উসামা ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, একদা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনার টিলাসমুহের একটির উপর উঠে বললেনঃ আমি যা দেখি তোমরা কি তা দেখতে পাও? উত্তরে সাহাবা-ই-কিরাম বললেন, না। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিঃসন্দেহে আমি দেখতে পাচ্ছি, তোমাদের ঘরগুলোর ফাঁকে ফাঁকে ফিতনা বৃষ্টিধারার মতো নিপতিত হচ্ছে।(বুখারী, ফিতনা অধ্যায়)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, মানুষের জন্য অবশ্যই এমন একটি সময় আসবে যখন প্রত্যেকেই সুদ গ্রহণ করবে। আর কেউ যদি সুদ গ্রহণ না করে তাহলে সুদের ধুলা হলেও তার কাছে পৌছবে”।(আবু দাঊদ, ইবনে মাজাহ)

এই ফিতনার বিষয় গুলো ঘুরে ফিরে এই সাইটে থাকবে ইনশা আল্লাহ। এর থেকে বাঁচতে কি করণীয় তাও কোরআন, হাদিসের আলোকে থাকবে ইনশা আল্লাহ।

এই ব্লগে স্পেশাল কি থাকবে ইনশা আল্লাহ

আপাতত আমার মাথায় আছে ফিতনার বিষয়গুলো। স্বাস্থগত কিছু বিষয় আছে। এই ব্লগে ইনশা আল্লাহ কোনো ডাক্তার, ওষুধ ছাড়াই কিভাবে ফিট থাকা যায়, রোগমুক্ত থাকা যায় সেটা আলোচনার চেষ্টা করবো, যেটা বর্তমান সময়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের রিভিউ থাকবে, আমাদের ফেসবুক পেজের ফলোয়ারদের মধ্যে দ্বীনি বই পড়ার জন্য আদান প্রদান করার ব্যবস্থা করবো ইনশা আল্লাহ। হালাল আয়ের বিভিন্ন উপায়, শেষ সময়ের পরিপূর্ণ প্রস্তুতি, করণীয়, বর্তমান দুনিয়ার সাথে ফিতনার হাদীসগুলোর মিল।বিভিন্ন ইসলামিক ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য যেগুলো আমার দৃষ্টিতে খুবই প্রয়োজনীয় ও অপচয় থেকে মুক্ত।

অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে চাইলে

আমি বর্তমানে হালাল কিছু কাজ করছি। মার্কেটিং সম্পর্কিত সার্ভিস দেয়া আর কিছু affiliate marketing এর কাজ যেগুলো আমি হালাল মনে করি। যেমন বিভিন্ন বিশ্বখ্যাত হোস্টিং প্রোভাইডারদের এফিলিয়েট হিসেবে কাজ করি। ইমেইলিং সল্যুশন প্রোভাইডার, মার্কেটিং রিলেটেড বিভিন্ন টুলস প্রোভাইডারদের এফিলিয়েট হিসেবে কাজ করি। এগুলো আমার দৃষ্টিতে এখন পর্যন্ত হালাল। যেমন, মোবাইল বিক্রি করা হালাল। এখন এই মোবাইল কেউ ভালো কাজে ব্যবহার করতে পারেন, আবার কেউ খারাপ কাজে ব্যবহার করতে পারেন। বিক্রেতা ইনশা আল্লাহ এজন্য আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসিত হবেন না(টিভির ফতোয়া আবার মোবাইলের সাথে যাবে না, টিভি ৯৯% খারাপ কাজেই ব্যবরিত হয়)।

আমাদের অনেক দ্বীনি ভাইয়েরা বর্তমানে অনলাইনে বা কোনো দোকানে মধু, কালোজিরা, মেথি, চাল, ডাল থেকে শুরু করে ইসলামী বই ও আরো অনেক নিত্যপ্রয়োজনীও দ্রব্যের ব্যবসা করছেন শুধু হালাল রুজির খোঁজে। কিন্তু শুধু নির্দিষ্ট কিছু নয় আপনি বিভিন্ন পণ্য বা সেবার ব্যবসার উদ্যোগ নিতে পারেন।

অনলাইনেও কেউ চাইলে একটি ইকমার্স সাইট, এফিলিয়েট সাইট (আমাজন, এনভাটো, আলিএক্সপ্রেস, ই-বে, ক্লিকব্যাংক ইত্যাদির ) যেমনঃ https://www.bulkherbstore.com/
https://truegoods.com/
বা নির্দিষ্ট কোনো প্রোডাক্ট এর এফিলিয়েট সাইট, কোনো বিষয়ভিত্তিক ব্লগ এরকম আরো নানা অনলাইন ব্যবসা করতে পারেন।

অনলাইন ব্যবসা করতে শুধু থার্ড পার্টি সাইট যেমন ফেসবুক পেজের উপর নির্ভর করলে হবে না। কারণ এতে আপনার এস্টাব্লিশড ব্যবসা যে কোনো মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অনলাইনে ব্যবসা করতে হলে একটি ওয়েবসাইট একটু যত্ন করে বানাতে হবে, সাইটটির টার্গেট অডিয়েন্স কারা, কিভাবে সেই লোকগুলোর কাছে সাইটটির খবর পৌঁছে দেয়া যায় অর্থাৎ সাইটটি কিভাবে প্রমোট করা হবে, কিভাবে ভিসিটর বাড়ানো যাবে তা সাইট ডেভেলপ করার আগে থেকে প্ল্যান করতে হবে।
SEO friendly ১টা সাইট ডেভেলপ করতে হবে। শুধু সাইট দেখতে সুন্দর হলেই হবে না। আগে থেকে টার্গেট অডিয়েন্স ঠিক করে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে, সেই কীওয়ার্ডগুলো অনুযায়ী কনটেন্ট সাজাতে হবে(আর্টিকেল, ছবি, ভিডিও, ক্যাটাগরি এসব)। সাইট প্রথমে বানিয়ে পরে এসব চিন্তা করলে সাইট বা ব্যবসা ফেইল করার চান্স বেশি।

আমার ওয়েব ডেভেলপমেন্টের প্যাকেজটিও আপনারা দেখতে পারেন।https://www.ampleom.com/downloads/search-engine-friendly-wordpress-website
দাম একটু বেশি দেয়া আছে, দ্বীনি ভাইদের জন্য বিশেষ ছাড় আছে অবশ্যই।

অনেকে ওয়েবসাইটের পিছনে খরচ করতে চান না, ৫০০০-১০,০০০ বা কোনো ক্ষেত্রে তার চেয়েও কমে কোথায় পাওয়া যায় সেটা খুজেন। অথচ ১টা দোকান নিতে গেলে সেখানে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার খরচ আছে।কিন্তু ওয়েবসাইটের একই সম্ভবনা থাকার পরও ইনভেস্ট করতে চান না। Niche research, Keyword research, theme customization, content management, product/service/post/page/about us/ contact… categorization, image design, on-page SEO settings, mobile optimization এরকম আরো অনেক কাজ থাকে।ডেভেলপার কে যদি একটু খরচ না দেন সে প্রশান্তি সহকারে, নিজের মনে করে কিভাবে কাজটা করে।

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবসার সিদ্ধান্ত যদি নিয়েই ফেলেন তাহলে করণীয়

ওয়েবসাইট শুরু করতে প্রথম যে বিষয় জরুরি সেটা হলো ডোমেইন ও হোস্টিং নেয়া। ডোমেইন আজকাল ১টা হলেই হয়, SEO’র সাথে এটা এখন তেমন জড়িত না, আপনার কীওয়ার্ড ডোমেইনে থাকতে হবে এমন না। থাকলে ভালো, না হলে কোনো সমস্যা নেই। .com হলে ভালো, না হলে তেমন সমস্যা নেই। চেষ্টা করবেন যত শর্ট ডোমেইন হয় ততো ভালো।

আসল বিষয় হচ্ছে হোস্টিং, এটা বর্তমানে SEO বা সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাংকিং এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। SEO’র সফলতা হোস্টিং প্রোভাইডার এর কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে।

যেমন, সাইটটি কত দ্রুত লোড হচ্ছে অর্থাৎ হোস্টিং প্রোভাইডারের সার্ভার স্পিড কেমন। র‍্যাংকিং এর ক্ষেত্রে সাইট স্পিডকে গুগল এখন সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এই আর্টিকেলটি লক্ষ্য করুন

https://yoast.com/does-site-speed-influence-seo/ https://webmasters.googleblog.com/2018/01/using-page-speed-in-mobile-search.html

সাইট দ্রুত লোডিং এর জন্যে হোস্টিং বা সার্ভার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সাইট সিকিউরিটি। আপনার সাইট যেনো কখনই হ্যাক হওয়া, ইনফরমেশন চুরি হওয়া(যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর) ইত্যাদি না হতে পারে। হোস্টিং প্রোভাইডাররাই এই বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
হোস্টিং প্রোভাইডারদের দক্ষ টেকনিক্যাল স্টাফ থাকতে হবে যাতে কোনো সমস্যা হলে তাদেরকে বললে সেটা যেনো দ্রুত সমাধান করে দিতে পারে।
সাইট যাতে কখনই ডাউন না হয়, ভিজিটররা সাইটে ঢুকতে যাতে কখনোই সমস্যা না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। অনেক সময় হোস্টিং প্রোভাইডার অনেক প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু সাইটে লোড একটু বেশি পড়লে বা ভিসিটর বেশি হলে সাইট আর খুঁজে পাওয়া যায় না। অর্থাৎ, ডাউন হয়ে যায়।
হোস্টিং প্রোভাইডারদের উচিত SSL certificate এর মতো ব্যাপারগুলোই ক্লায়েন্টদের ফ্রি সাপোর্ট দেয়া, যাতে ওয়েবসাইট যে চালায় তার এই বাড়তি ঝামেলা পোহাতে না হয়। SSL ছাড়া আজকাল কোনো কাস্টমার বা ভিসিটর সেই সাইটকে নিরাপদ মনে করে না, তাই আপনার SSL certificate না থাকলে বিক্রি কমার সম্ভবনা ৯৯%।
দেখুন এটাই হচ্ছে SSL   end time ssl
আপনার অবশ্যই উচিত অনেক বড় সার্ভার, প্রতিদিনের  ব্যাকআপ,  সিকিউরিটি, কাস্টমার সাপোর্ট টীম, আগের ক্লায়েন্টদের রিভিউ এসব দেখে তারপর একটি হোস্টিং বেছে নেয়া। দাম যদি একটু বেশিও হয় তবুও সিরিয়াস ব্যবসায় নামতে হলে ভালো একটা হোস্টিং প্রোভাইডার লাগবেই।
আমি আমার এই ব্লগ পোস্টে কয়েকটি বিশ্বখ্যাত হোস্টিং প্রোভাইডারদের লিস্ট করেছি তাদের সার্ভিস, সুবিধা, অসুবিধা, দাম ও ক্লায়েন্ট রিভিউ এর ভিত্তিতে।
আমার দৃষ্টিতে এই কোম্পানিগুলোই বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। তাদের থেকে হোস্টিং নিলে অন্য সব ঝামেলা এড়িয়ে শুধু ব্যবসা চালানোর দিকে মনোযোগ দেয়া যায়। ওরাই যে সমস্ত বিষয় আলোচনা করলাম সেগুলো টেক-কেয়ার করে। সার্চ ইঞ্জিন রাংকিংয়ে এটা অনেক প্রভাব ফেলে। আমার এই সাইটটিও এগুলোর একটিতে বর্তমানে আছে।
আমার এফিলিয়েট লিংক এই পোস্টে লাগানো আছে। আপনারা যদি এই লিংক থেকে কিনেন আমারও সুবিধা হবে হালাল উপার্জন করতে, আপনারাও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হোস্টিং পাবেন ইনশা আল্লাহ। যাদের পেমেন্ট দিতে প্রব্লেম তারা সহজেই দেশি কোনো ফ্রীলান্সার যার কাছে ডলার থাকে বা ক্রেডিট কার্ড আছে এমন কাওকে নগদ অর্থ দিয়ে আপনার হয়ে পেমেন্ট করে দিতে অনুরোধ করতে পারেন। অথবা ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে যাকে দায়িত্ব দিবেন, সেই এসব ব্যবস্থা করতে পারেন।
এই গেলো ব্যবসা শুরুর প্রথম কাজ অর্থাৎ কিসের উপর অনলাইন ব্যবসা করবেন সেটা ঠিক করা, ডোমেইন, হোস্টিং নেয়া। এরপর নিজে অথবা ডেভেলপারকে দিয়ে সাইট দাড় করানো। সাইট শুধু বানালেই হবে না, সাইট মার্কেটিং এর পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামতে হবে। এই ব্যাপার গুলোর কিছু আগেই আলোচনা করেছি। এই ব্লগে আরো পোস্ট এ ব্যাপারে থাকবে ইনশা আল্লাহ
 
পরিশেষে 
যাই হোক, এই সাইটের এসব আয়োজনই আমার ও দ্বীনি ভাইদের হালাল উপার্জনের লক্ষে ও শেষ জামানার আরো অনেক ফিতনা এড়ানোর লক্ষে। আমরা যদি হারাম থেকে বাঁচতে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি আল্লাহ আর রাহমান নিজ দায়িত্বে আমাদের সকল ফিতনা থেকে বাঁচিয়ে মুমিন হিসেবে মৃত্যু দিবেন ইনশা আল্লাহ। আমরা আল্লাহর কাছে দোআ করি
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغيثُ أَصْلِحْ لِي شَأْنِيَ كُلَّهُ وَلاَ تَكِلْنِي إِلَى
نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ

হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী! আমি আপনার রহমতের অসীলায় আপনার কাছে উদ্ধার কামনা করি, আপনি আমার সার্বিক অবস্থা সংশোধন করে দিন, আর আমাকে আমার নিজের কাছে নিমেষের জন্যও সোপর্দ করবেন না।

বি: দ্রঃ আপনারা এই ব্লগে আপনাদের ইসলামিক, ফিতনা, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, সমস্যা যে কোনো বিষয়ে লেখা দিতে পারে। প্রথম দিকে কোনো হাদিয়া দিতে পারবো না। কিন্তু সাইট ইনশা আল্লাহ ভালো চললে যাদের লেখা প্রকাশিত হবে তাদের হাদিয়া দেয়ার ইচ্ছা আছে। সবাই সাবস্ক্রাইব করে রাখুন, নিয়মিত এই ব্লগে চোখ রাখুন, অন্যদের সাথে শেয়ার করুন যাজাক-আল্লাহু-খায়ের